শেষটুকু এখনও বাকি(দ্বিতীয় পর্ব-)

প্রসেনজিৎ দাস,

পশ্চিম মেদিনীপুর


পূর্ববর্তী অংশটি পড়ার জন্য লাইব্রেরি বিভাগে দেখুন...

এই ঘটনাটা নিজের ছেলে-মেয়েকে বলতে গিয়েই রমেন বাবুর চোখ দু’টো অজান্তেই ভিজে এল।

কখন যে পাশে এসে নিঃশব্দে দাঁড়িয়েছে তাঁর স্ত্রী মালতী, তিনি টেরই পাননি। মালতী মৃদু ধমকের সুরে বলল -

“শুনছো, তুমি কি এখন বসে বসে গল্পই করে যাবে? রাত অনেক হয়েছে, খেয়াল আছে? ওরা কাল সকালেই টিউশনে যাবে। এত রাত জাগলে সকালে উঠবে কেমন করে?"

মালতীর কথায় হঠাৎই ঘরের পরিবেশটা একটু হালকা হয়ে উঠল।

রমেনের ছয় বছরের মেয়ে প্রীতি তখন হি হি করে হেসে উঠল।

ছেলে প্রত্যুষ মুখটা কাত করে বলল -

“মা, তুমি কি ভুলে গেছো? কাল তো আমাদের ছুটি!”

এই কথা শুনে প্রীতি যেন আরও উৎসাহিত হয়ে লাফিয়ে বাবার কোলে চেপে বসল।

“বলো না বাবা, তারপর কি হয়েছিল? প্লিজ, আরও বলো!

প্রীতির চোখে চিকচিক করছে একরাশ কৌতূহল, প্রত্যুষও মনোযোগী হয়ে বসে আছে -

আর রমেন বাবু অনুভব করলেন, অনেক বছরের পুরোনো সেই কষ্টগুলো যেন আবার হালকা ভেবে ওঠে তাঁর অন্তরে… কিন্তু সন্তানদের চোখে এই গল্প এখন আর কেবল কষ্টের নয় - জীবনজয়ের এক উষ্ণ স্মৃতি।

ক্রমশ..............