আলু বিরিয়ানি

অনসূয়া কোটাল,

উজ্জয়িনী, মধ্যপ্রদেশ

বিরিয়ানির নাম শুনলে অনেকের মুখ থেকে জল আসে। অনেকেরই খুবই প্রিয় খাবার এই বিরিয়ানি। নিজেরা আমরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে বিরিয়ানি খাই। বিয়ে বাড়িতে বা যে কোন কাজ বাড়িতে গিয়ে বিরিয়ানি খাই। আবার কখনো কখনো বাড়িতেও বিরিয়ানি বানিয়ে খাই। আমি যেহেতু উজ্জয়িনী তে থাকি, এটাকে লোকে মহাকালনগরী ও বলে। তাই ইচ্ছে থাকলেও বছরের বেশিরভাগ সময়ই আমাদের কে ননভেজ এভয়েড করে চলতে হয়। কিন্তু ননভেজ এভোয়েড করলেও বিরিয়ানির স্বাদ গন্ধ তো আর ভোলা যায় না, মাঝে মাঝেই মনের মধ্যে বিরিয়ানি খাবার নেশা টা চাগাড় দিয়ে ওঠে। তাই অ বাঙালি প্রতিবেশীদের কথা মাথায় রেখে আমি ঝটপট বানিয়ে ফেলি এই আলু বিরিয়ানি। 'দুধের স্বাদ ঘোলে মেটে'- কি আর করা যাবে! আসুন আমরা সময়ে অসময়ে ননভেজ ছাড়াও সুন্দর ঝরঝরে বিরিয়ানি কিভাবে তৈরি করে খেতে পারি, শিখিয়ে দিই তার পদ্ধতিটা।

উপকরণ:
* বাসমতি চাল বা বিরিয়ানির চাল ২ কাপ
* আলু - ৩-৪টি (মাঝারি, খোসা ছাড়িয়ে অর্ধেক করে কাটা)
* পেঁয়াজ ২টি (সোনালি রঙে ভাজা বা পেঁয়াজ বেরেস্তা)
* টক দই ১/২ কাপ
* আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
* জিরে, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ সামান্য
* কেশর দুধ ১/৪ কাপ
* ঘি ২ টেবিল চামচ
* লবণ ও চিনি স্বাদ অনুযায়ী

রান্নার প্রণালী:
1. চাল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন এবং ভিজিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন।

2. একটা পাত্রে জল, লবণ, তেজপাতা, গোটা গরম মশলা দিয়ে উনানে চাপান। এবার জল ফুটে উঠলে তাতে ভিজিয়ে রাখা চাল তুলে দিয়ে ৭৫% সেদ্ধ করে মাড় ঝরিয়ে নিন।

3. আলু হালকা লবণ মেখে ভেজে নিন।

4. কড়াইয়ে ঘি দিয়ে গরম মশলা ফোড়ন দিন, আদা-রসুন বাটা ও দই দিয়ে কষান।

5. এবার ভাজা আলু ও ভাজা পেঁয়াজ দিন, মসলা ভালোভাবে মেশান।

6. মোটা তালু যুক্ত কোন বড়ো পাত্রে আলু ও কিছু ভাত দিয়ে স্তর তৈরি করুন।

7. উপরে কেশর দুধ, ঘি দিন। ঢাকা দিয়ে ২০ মিনিট দম দিন।

রায়তা এবং স্যালাড সহযোগে পরিবেশন করুন গরম সুগন্ধিত ঝরঝরে আলু বিরিয়ানি।