পাঠকের মতামত


তপশ্রী চাকলাদার,

বীরভূম

পত্রিকাটি পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো, প্রত্যেকটা বিভাগের আলাদা আলাদা রূপ রস বৈচিত্র আমাকে রীতিমতো আপ্লুত করেছে। প্রতিটা লেখাই নিজের নিজের গুণে সমৃদ্ধ। কবিতা গল্প প্রবন্ধ ভ্রমণ, রান্না - বান্না প্রতিটা জিনিসই নিখুঁত, আমার অন্তর ছুঁয়ে গেছে। এ যেন পূজার ডালায় সাজানো নানা রঙের অর্ঘ্য কুসুম। ধন্যবাদ সম্পাদক মন্ডলীকে। আপনাদের পত্রিকার জয়যাত্রা কামনা করি, দুর্নিবার গতিতে পত্রিকাটি এগিয়ে চলুক। ধন্যবাদান্তে - তপশ্রী চাকলাদার, বীরভূম

Mina Goswami De,

অজানা

প্রিয় সুলেখা, তোমার লেখা 'যমজ সন্তানের মায়ের অভিজ্ঞতা (১ম ও ২য় ভাগ)' পড়ে অভিভূত হলাম। আড়ম্বরহীন সাদামাটা ভাষায় তোমার লেখা এই আত্মজৈবনিক রচনায় দুই যমজ কন্যাসন্তানের মায়ের কথার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ভাবে উঠে এসেছে তোমার ও তোমার স্বামীর সে সময়ের কঠিন জীবনসংগ্রামের কাহিনী, তোমার সংসার ও স্বজনদের কথা। অন্তর থেকে বলি, তোমার এই লেখার তুলনা হয় একমাত্র আশাপূর্ণা দেবীর 'সুবর্ণলতা' কাহিনীর। তোমার কাছ থেকে এ রকম আরও কথকতার প্রত্যাশায় রইলাম।

Subham maity,

অজানা

The poem "শিশু" written by Mr. Swarnendu Sahoo sir, is relatable to us. In the poem, the kid is being a little angry, a little jealous, and sad too. when we were a child, we had all these thoughts, and coincidentally, those thoughts are matching! wonderful!! The way, author wrote, I would like to say he did "TREMENDOUS EFFORTS" because we know that is difficult to be an author, writter. This means he observed a child, he interacted with him/her. The child told the problem to author.Well, the poem need a "BIG ROUND OF APPLAUSE". Thanks.

Noor Ahmed,

Delhi

Khub bhalo potrika, porte khub e bhalo laglo. Aro porte chai. Noor Ahmed, Delhi

রূপশ্রী গায়েন,

অজানা

সত্যি ছোটদি তোমার লেখাটা জমজ সন্তানের মা হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা খুব সুন্দর হয়েছে। তুমি যে এত সুন্দর লিখতে পারো, জানতাম না। তুমি একদম মনের কথা তুলে ধরেছ। সেই পুরোনো দিনের কথা মনে করে যে তুমি সব লিখেছো আমার খুব ভালো লাগছে পড়ে। তুমি আর লেখো ছোটদি।

অরূপ ভট্টাচার্য,

অজানা

সুলেখা ভান্ডারী আপনার যমজ সন্তানের মা হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতাটি পড়লাম খুব ভালো লাগলো সহজ সরল ভাষায় লেখা। আপনার আবৃত্তি ছবি আঁকার হাতও খুব সুন্দর। সত্যি সাক্ষাৎ মা সরস্বতীর আশীর্বাদ সব সময় আপনার সাথে কাছে আপনি এগিয়ে যান আরও।

সুমিতা ভান্ডারী নাথ,

দেশপ্রিয় পার্ক, কলকাতা

সত্যিই মা তোমার লেখাটা (যমজ সন্তানের মায়ের অভিজ্ঞতা) খুব সুন্দর হয়েছে। একজন মাকে কতটা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় তার প্রমাণ তুমি দিয়ে দিলে। আমি আবারও গর্বিত তোমার কাছে তোমার কন্যা হতে পেরে। ঈশ্বরের কাছে সব সময় কামনা করব তুমি বাবা সব সময় ভালো থেকো আর আমাদেরকে সব সময় আশীর্বাদ করো যাতে আমরা মানুষের মতন মানুষ হয়ে সৎ পথে সকলের পাশে থাকতে পারি।

অনুশুয়া কোটাল,

উজ্জয়িনী, মধ্যপ্রদেশ

মাসীমণি তোমার যমজ সন্তানের মা হতে ওঠার অভিজ্ঞতা টি পড়লাম খুব খুব সুন্দর হয়েছে। তোমার তুলনা হয়না গো মাসীমণি। তুমি আর লেখো। তোমার উৎসাহ দেখে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হই। সত্যি মাসীমণি আমরা খুবই গর্বিত তোমাকে মায়ের মত পাশে পেয়ে। তোমার তুলনা হয়না।

Mala Dey,

অজানা

বর্ণে বর্ণে পত্রিকায় সুলেখা দি তোমার যমজ সন্তানের মা হয়ে ওঠার গল্পটি পড়লাম। খুব সহজ সাধারণ ভাষায় লেখা অসাধারণ। স্বপূর্ণ মনের কথা তুলে ধরেছেন আপনি। আরো লিখুন। আপনি অপেক্ষায় রইলাম আপনার। আরো গল্প কবিতার জন্য। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

Soma Mukherjee,

অজানা

আমার বন্ধু সুলেখা তোমার যমজ সন্তানের মা হয়ে ওঠার জীবন কাহিনী পড়লাম সকালে চা খাওয়ার আগেই। তোমার সব কথা আগে হয়তো জানা হয়নি কিন্তু আজ সব জানতে পারলাম। এটাই জীবন এভাবেই আমাদের এক একজনের এক এক ভাবে জীবন অতিবাহিত হয়। খুব ভালো হয়েছে লেখাটা তুমি এই ভাবেই সব সময় ভালো থেকো হাসিখুশি থেকো তোমার পরিবার নিয়ে বন্ধু হিসাবে এটাই আমার অন্তরের একমাত্র কামনা।

স্বরবানি,

কলকাতা

খুব সুন্দর মন ছুয়ে গেলো যমজ সন্তানের মা হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতাটি পড়লাম।কলকাতা থেকে বলছি।

Pappu Mondal,

নিউ দিল্লি

খুব সুন্দর, কবিতা, গল্প, ছবিঘর, সবকিছু মিলিয়ে এই পত্রিকা পাঠকদের আকর্ষণ করেছে। আগামী দিনে এইরকম সুন্দর আরও পত্রিকা প্রকাশিতর আশায় রইলাম। ধন্যবাদান্তে পাপ্পু মন্ডল নিউ দিল্লি

Nanda Dinda,

অজানা

সর্ণেন্দু সাহু স্যার 2টি কবিতা আমার খুবই ভালো লাগলো।

Ashis Kumar Roy,

অজানা

খুব ভালো লেখা। আনন্দ পেলাম। আরো ভালো লেখা পড়বার অপেক্ষায় রইলাম।

অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়,

নতুন দিল্লী

বর্ণে বর্ণে পত্রিকাটি যেন দিল্লিতে বসে হাদ্রাবাদি বিরিয়ানি খাওয়ায় মত সুস্বাদু মনে হয় । পত্রিকাটি দুর পাল্লার ঘোড়া অনেক দূর পর্যন্ত যাবে ।।

Sriti,

অজানা

Wonderful, Amazing creativity Congratulations to all of them.

Saktipada Dey,

অজানা

Very good. Good Kavita...borne. borne.

MOHINI MOHAN BERA,

অজানা

DARUN

Sampurna sen,

অজানা

Potrika ti khub sundar. Kobita gulo khub e bhalo bishesh kore haiku kobita guli ebong abhineta kobita ti khub e bhalo legeche. Ageo ami anek jaygay haiku kobita porechi kintu se gulo amake atota bhalo laga dite pareni. Sob guli galpo porlam, sob guli golpoi khub e bhalo. Keu chaile anaase golpoguli ekta boi akare prokash korte pare. Agami sankhar dike cheye roilam.

স্নিগ্ধা ধর,

জামশেদপুর

খুব ভালো পত্রিকা, পড়তে পড়তে অনেক হাসলাম আবার কাঁদলামও। খাই খাই এর রেসিপি গুলি বাড়িতে ট্রাই করে জানাবো। থিমের পূজা পড়ে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা। হায়দ্রাবাদের ডাইরী পড়েও খুব হেসেছি আবার কষ্ট ও পেয়েছি। যমজ সন্তানের মায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খন বিবরণ হৃদয় স্পর্শ করে। পুদিনার চাটনি খুব খাই, তবে এর এতো গুন জানা ছিল না। আমার ছাদে আর ব্যলকনিতে নিশিন্দা ছাড়া সবগুলো গাছই আছে। প্রয়োজনে ব্যবহারও করি। বিজয়া গল্প টা খুব বাস্তব, এখন এমনই চলছে। মানুষের মনের ভিতর পর্যন্ত মোবাইল ঢুকে গেছে। সবাই যান্ত্রিক। ভালো থাকবেন। পত্রিকা এগিয়ে চলুক। স্নিগ্ধা ধর জামশেদপুর

Madhuchanda Pattanayak,

অজানা

দিন দশেক আগে আমার এক বন্ধুর থেকে পত্রিকার লিঙ্ক টি পেলাম, কাজের ফাঁকে ফাঁকে পুরো পত্রিকাটি পড়ে শেষ করলাম। চমৎকার লেগেছে, খুব ভালো উপস্থাপনা। অনেক বড় এবং নামী পত্রিকার সাথে টক্কর দেয়ার ক্ষমতা রাখে আপনাদের পত্রিকা। আর একটা বিষয় খুব ভালো লাগলো যেটা হলো সাধারণত আমি কোন ই-পত্রিকাতে আলাদা করে কোন প্রচ্ছদ আমার চোখে পড়েনি তবে আপনাদের পত্রিকায় আলাদা করে প্রচ্ছদটি সত্যিই চোখে পড়ার মত, বেশ আকর্ষণীয়। অপেক্ষায় রইলাম আরো আরো অনেক সংখ্যা পড়ার জন্য।

Gourav Nath,

চন্ডীগড়

আপনাদের পত্রিকাটি খুব সুন্দর, অনেক কিছু আছে কিন্তু সায়েন্সফিকেশন বিভাগ না থাকায় আমার মনে হয় এটা জুড়লে আরো ভালো হবে। ছবি ঘরের ছবিগুলি ভালো তবে খুব ভালো কিছু ছবির পাশাপাশি কিছু অপটু হাতের ছবি ও আছে। যদি পারেন তবে শিল্পীদের বয়স উল্লেখ করা হলে ভালো হয়। কভার পেজের ছবি টা খুব সুন্দর। কবিতার ব্যাপারে ও আমার একই মত। খুব ভালো কিছু কবিতার পাশাপাশি অপক্ত কিছু কবিতা আপনাদের কাব্য মেলার শোভা কিছুটা হলেও খর্ব করেছে। সবচেয়ে ভালো লেগেছে পত্রিকা টির নাম। সাধারণত পূজার সময় প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর নাম শারদীয়া বা শারদ সংখ্যা ইত্যাদি হয়, আপনারাই বোধহয় প্রথম যারা এর বাইরেও আরো ভালো কিছু ভেবেছেন। দেবীপক্ষ নামটা সত্যিই অসাধারণ। গৌরব নাথ চন্ডীগড়

অতসী চ্যাটার্জী,

ক্যালিফোর্নিয়া

অসম্ভব সুন্দর পত্রিকা। পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যায় দেখলাম পত্রিকার নাম বর্ণবর্নে হলেও প্রতিটা সংখ্যার একটা আলাদা করে নিকনেম আছে এবং যেগুলো খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই চিন্তা ভাবনাটা কিন্তু খুবই ইউনিক আর পাঁচটা সাধারণ পত্রিকা থেকে অনেকটাই আলাদা করেছে আপনাদের পত্রিকাকে। প্রতিটা সংখ্যার প্রচ্ছদ খুবই সুন্দর এবং সম্পাদকীয় টা খুবই প্রাসঙ্গিক এবং গোছানো। আপনাদের পত্রিকায় আরো একটা যে বিষয় আমার ভালো লেগেছে তা হল লাইব্রেরি। অন্যান্য অনেক পত্রপত্রিকায় বর্তমান সংখ্যাটা আমরা পড়তে পেলেও লাইব্রেরিটা সচরাচর চোখে পড়ে না। আপনাদের এখানে থাকায় পেছনের সংখ্যা বিশেষ করে ধারাবাহিক গুলি পড়তে কোন অসুবিধাই হচ্ছে না। সম্পাদকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনে আপনাদের পত্রিকা আরও উন্নতি করুক এই কামনাই করি। অতসী চ্যাটার্জী, ক্যালিফোর্নিয়া

Devarati Ghosh,

অজানা

আপনাদের পত্রিকা আমার খুব ভালো লেগেছে, প্রত্যেকটা লেখা খুব সুন্দর। পরিপাটি গুছানো আপনাদের পত্রিকা। আমার বিশেষ করে ভালো লেগেছে লেখিকা সুলেখা ভান্ডারীর লেখাটি। উনার লেখাটি পড়ে আমার নিজের মা হবার কথাটা মনে পড়ছিল। ৩৭ বছর আগে আমি মা হয়েছি আজও আমার সেই কথা স্পষ্ট মনে আছে।

Raghunath Bayen,

কলকাতা

অতীব সুন্দর হয়েছে পত্রিকাটি। প্রত্যেকটা লেখা, আঁকা, রান্নার রেসিপি ভাল লেগেছে। সম্পাদকীয়টা আরো সুন্দর হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির উপর লেখা বলে কথা। গোপন প্রতিভা প্রকাশের এমন সুন্দর পথ তৈরীর জন্য সম্পাদককে অজস্র ধন্যবাদ।

সুস্মিতা ভান্ডারী কর,

কলকাতা

প্রত্যেকের উপস্থাপনা সত্যি মন ছুঁয়ে গেলো। সবাই আরও এগিয়ে যাক এইভাবে একে অপরের পাশে থেকে। সময় কাটানোর একটা সুন্দর বন্ধু পেলাম। বর্ণে বর্ণে পত্রিকার সমস্ত সদস্যকে আমার অসংখ্য ধন্যবাদ সবাই আমার একসাথে এগিয়ে না এলে এটা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে এই পত্রিকার সম্পাদক, ওয়েব মাস্টারকে অনেক অনেক অভিনন্দন যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ছাড়া এতো সুন্দর একটা জায়গা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া সহজ নয়। আমরা তো শুধু মনের মতো করে লিখে বা এঁকে দিয়ে দিচ্ছি কিন্তু সেগুলোকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়াটাও একটা অনেক বড়ো চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার বলে আমার মনে হয়। সবাই আরো এইভাবে নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করতে থাকুন ও ভালো থাকুন ও অন্যকে ভালো রাখুন। ধন্যবাদ।

সিদ্ধার্থ শংকর মাইতি,

নিউ-দিল্লি

খুব ভালো লাগছে বিভিন্ন রকমের কবিতা, চিত্রকারী, কাহিনী পরতে

Anjana Kundu Dutta,

কলকাতা

আমি আপ্লুত।

কুলিক,

কলকাতা

মলিনাঞ্জলী : প্রথম খন্ড : প্রথম পর্ব

......... কুলিক

উৎসর্গ : স্বর্গীয়া অঞ্জলি মুখার্জির চরণ কমলে ---

জন্ম : ৫ ই নভেম্বর, ১৯৪৩

প্রয়াণ : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রাককথন

এ এক ভয়ঙ্কর অনুভূতি ! জীবনে বেঁচে থাকতে গিয়ে শুনতে পাই, চারিদিকে মৃত্যুর হাহাকার। মৃত্যু মানে তো বিয়োগ ! একজন ছিল, আজ আর সে নেই ! এই পৃথিবীটা আছে । আছে তাঁর প্রিয় ও অপ্রিয়-জনেরাও । কিন্তু সে নেই ! সত্যিই কি নেই ? মানুষ দু'ভাবে বাঁচে --- প্রথমত, শরীরে । তার নিজস্ব জগৎ ঘিরে, প্রাণে বাঁচে । তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা, সুখ-দুঃখ, চাওয়া-পাওয়া,আশা-নিরাশার দ্বন্দ্বে, যা হলো শরীরী, জাগতিক ভাবে বাঁচা। আর দ্বিতীয়ত, মৃত্যুর পরেও বাঁচা। স্মৃতি ও কর্মে --- লোকে আহা-উহা করবে --- বলবে, "আহারে লোকটা কি ভালো ছিল গো !" কিন্তু ঠিক ঠিক ভাবলে, একজনের থাকা না থাকায় কতটা ফারাক পড়ে বাকিদের জীবনে --- সে শুধু তার প্রিয়জনরাই বোঝে ! প্রসঙ্গত মনে পড়ে গেল, কিশোর কুমারের সেই বিখ্যাত গানটার কথা ।

"আমি নেই, ভাবতেই ব্যথায় ব্যথায় মন ভরে যায়....."

আসলে আমি আমার বাবার কথা বলতে চাইছি। স্বর্গতঃ মলিন মুখোপাধ্যায়, ১৯৭৯ সালের ১৭ই জানুয়ারী ভোর পৌনে চারটের সময় --- মাত্র ৪৮ বছর বয়সেই যিনি ছেড়ে চলে গেছেন এই পৃথিবীর মায়া ! তিনি ছিলেন একাধারে যাত্রানট, বংশীবাদক, কবি ও চার শতাধিক বাংলা গানের গীতিকার ; যেগুলো তাঁর প্রয়াণের দীর্ঘ প্রায় ৪৬ বছর পরেও, আজ অবধি রয়ে গেছে লোকচক্ষুর অন্তরালে !

একথা আমরা সবাই জানি যে একটি সঙ্গীতের সৃষ্টির মূলে অবদান থাকে গীতিকার, সুরকার, শিল্পী ও বাদ্যযন্ত্র কলাকুশলীদের। শুধু গীতিকার হিসেবে, বাবাইয়া ( আমি ডাকতাম )-র কিছু গান, জন্মের প্রথম বছরেই রীতিমতো সাড়া ফেলে দেওয়া বাংলা ই-পত্রিকা 'বর্ণে বর্ণে' -র মহান আন্তর্জালিক মুক্তমঞ্চে প্রকাশ করার নিমিত্ত আমার এই প্রয়াস । যদি কোনো সহৃদয় সুরকার / গায়ক / গায়িকা এই গানগুলোর পূনর্মূল্যায়নে ব্রতী হন, তাহলে শুধু আমি নয়, আমার সমগ্র পরিবার তাঁর / তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ ও ঋণী হয়ে থাকবো।

বাবাইয়া তাঁর গানের খাতার নাম দিয়েছিল, 'কুমকুম' --- আমার মা, সদ্য স্বর্গগতা অঞ্জলী মুখোপাধ্যায়-কে উৎসর্গ করে, যার পুরো পৃষ্ঠাটি আমি নীচে তুলে দিলাম ।

[ যে ভাষা কানে বাজে, সুরের মাঝে

মনের মঞ্জরী।

তারই কিছু --- 'অঞ্জলীরে'

দিলাম অঞ্জলী।।

বুদ্ধ-পূর্ণিমা, ১৩৭৫। "শ্রীম."

ঠাকুর পুকুর।। " কুমকুম "

মলিন মুখার্জি



] কিন্তু সাড়ে ছাপান্ন বছর আগে [ বুদ্ধ পূর্ণিমা / বাংলা তারিখ -- ২৯ শে বৈশাখ, ১৩৭৫ / ইংরেজি তারিখ -- ১২-০৫-১৯৬৮ ] জন্মলাভ করা এই গানের খাতার নাম এই অধমের বিচারে আজ আর কুমকুম রাখা যায়না । কারন, যাঁকে উৎসর্গ করা, সেই মায়ের কুমকুম ( সিঁদুর!) - সৌভাগ্যই তো আজ দীর্ঘদিন অতীত। অথচ, রচয়িতার অনুমতি ব্যতিরেকে তো রচনা বা সংকলনের নামও বদলানো যায় না ! আমি তাই, ই-ম্যাগাজিন --- 'বর্ণে বর্ণে' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিতব্য এই রচনা সংগ্রহের নব নামকরণ করেছি "মলিনাঞ্জলী'....... "অঞ্জলীকে মলিন-এর অঞ্জলি"।

শুরুতেই আমি, আমার মা এবং আমার গোটা পরিবার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঋণ স্বীকার করি আমার অগ্রজ তথা বন্ধু প্রতীম শুভাকাঙ্ক্ষী ও আশীর্বাদক, বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও গল্পকার, এবং 'বঙ্গ চেতনা' পত্রিকার সম্পাদক, শ্রী অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের কাছে ; যিনি নিজ উদ্যোগে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন,'বর্ণে বর্ণে'-র সম্পাদিকা, ভগ্নীসমা শ্রীমতি অনিন্দিতা গুড়িয়া মহাশয়ার সাথে...... যাঁর প্রত্যক্ষ সম্মতি, অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে, আমার সারা জীবনের অন্যতম স্বপ্ন, 'কুমকুম'-এর 'মলিনাঞ্জলী' রূপে আত্মপ্রকাশ !

আসা যাক, 'কুমকুম'-এর দু-মলাটের মধ্যে। মোট ৪০১ টি গান --- ১ থেকে ৪০১ পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে রচিত --- কিন্তু কোনও বিষয়ভিত্তিক বিভাজন নেই। ফলে শুরুতেই আমাকে এই গানগুলোকে ভাগ করে নিতে হলো কতগুলি নির্দিষ্ট বিষয়ে --- যথা,

(ক) শ্যামাসঙ্গীত --> ১৯ টি [০১/১২/৩২/৫৬/৭৯/১৪৪/১৪৫/১৪৬/১৫৪/১৫৫/১৬১/১৬২/২৩১/৩৪৯/৩৭৯/৩৯১/
৩৯৭/৪০০/৪০১],

(খ) প্রকৃতি ও প্রেম --> ৬১ টি [০২/১৩/২২/২৩/২৪/২৫/৩৪/৪৭/৫৮/৬০/৬৪/৬৫/৬৬/৬৭/৭৪/৭৫/৮৫/৮৬/৯৪/১২৭/
১৪১/১৪২/১৪৯/১৫২/১৫৬/১৫৭/১৫৯/১৬৪/১৬৬/১৯৮/১৯৯/২০২/২১০/২৩৫/২৩৭/
২৪৭/২৪৮/২৫৬/২৬২/২৬৫/২৮৯/২৯৪/৩০২/৩০৭/৩০৮/৩১১/৩১২/৩১৩/৩১৪/৩২১/
৩২২/৩২৭/৩২৮/৩৫৮/৩৬৩/৩৭০/৩৭৪/৩৭৬/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭],

(গ) বিরহ --> ১৩৩ টি [০৪/০৫/১০/১১/১৫/১৮/২০/২৬/২৭/২৮/৩০/৩১/৪০/৪১/৪২/৪৩/৪৫/৪৬/৪৮/৪৯/৫০/
৫১/৫২/৫৪/৫৫/৫৯/৬১/৬২/৬৩/৬৮/৬৯/৭০/৭২/৭৩/৮০/৮১/৮২/৮৯/৯০/৯১/৯২/৯৫/
৯৬/৯৭/৯৯/১০৪/১০৬/১১২/১২১/১৩২/১৩৭/১৩৯/১৪৭/১৫৩/১৬৭/১৭৪/১৭৭/১৭৯/১৮১/
১৮৩/১৮৪/১৮৮/১৯০/২০০/২০৪/২০৭/২১১/২২২/২২৮/২২৯/২৩০/২৩২/২৩৪/২৩৬/২৩৮/
২৪১/২৪৩/২৪৪/২৪৬/২৪৯/২৫১/২৫২/২৫৩/২৫৯/২৬০/২৬১/২৬৪/২৬৭/২৬৮/২৬৯/২৭০/
২৭১/২৭২/২৭৪/২৭৫/২৭৬/২৭৭/২৭৮/২৮১/২৮২/২৮৪/২৮৬/২৮৭/২৮৮/২৯০/২৯১/২৯২/
৩০৩/৩১৬/৩১৯/৩২০/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩৩১/৩৩৩/৩৩৫/৩৩৭/৩৪৬/৩৪৭/৩৫১/৩৫৪/
৩৫৫/৩৬০/৩৬২/৩৬৫/৩৮১/৩৯০/৩৯৩/৩৯৪/৩৯৬/৩৯৯],

(ঘ) বিরহিনি রাধা --> ৫ টি
[ ০৭/১৪/১৫০/১৫১/৩৭২ ],

(ঙ) কৃষ্ণ-প্রেম --> ২২টি [০৯/২১/৩৩/৫৭/৭৬/৭৭/১১৯/১৩৫/১৩৮/১৪৮/১৭৩/১৮৭/১৯৬/২১৮/২২০/২২১/৩৫২/
৩৭৩/৩৮২/৩৮৩/৩৮৪/৩৯২],

(চ) প্রেম --> ৮২ টি [০৩/১৬/১৭/১৯/২৯/৮৩/৮৭/৮৮/৯৩/১০০/১০৩/১০৮/১০৯/১১০/১২৩/১২৬/১২৮/১২৯/
১৩১/১৩৪/১৩৬/১৫৮/১৬০/১৬৩/১৬৫/১৭৫/১৭৮/১৮০/১৮২/১৮৫/১৮৯/১৯১/১৯২/১৯৩/
১৯৪/১৯৫/১৯৭/২০৩/২০৫/২০৬/২০৮/২০৯/২১২/২১৩/২১৯/২২৪/২২৫/২২৬/২২৭/২৩৩/
২৫০/২৫৮/২৬৬/২৭৩/২৭৯/২৮০/২৮৩/২৮৫/৩০৪/৩০৫/৩০৬/৩০৯/৩১৫/৩১৮/৩২৯/৩৩০/
৩৩২/৩৩৪/৩৩৮/৩৪১/৩৪২/৩৪৩/৩৪৫/৩৫৩/৩৫৬/৩৫৭/৩৬১/৩৬৪/৩৬৭/৩৬৮/৩৭৫/৩৯৫],

(ছ) বিচিত্র --> ৬৫ টি [৩৫/৩৬/৩৭/৩৮/৩৯/৫৩/৭১/৭৮/৮৪/৯৮/১০১/১০২/১০৫/১০৭/১১১/১১৩/১১৪/১১৫/
১১৬/১১৭/১২০/১২২/১২৪/১২৫/১৩০/১৩৩/১৪০/১৪৩/১৬৮/১৬৯/১৭০/১৭১/১৭২/১৮৬/
২০১/২১৪/২১৫/২১৬/২১৭/২৩৯/২৪০/২৪২/২৪৫/২৫৪/২৫৫/২৫৭/২৬৩/২৯৩/২৯৫/২৯৬/
২৯৭/২৯৮/২৯৯/৩০০/৩০১/৩১৭/৩৩৬/৩৪০/৩৫৯/৩৬৬/৩৬৯/৩৭৮/৩৮০/৩৮৯/৩৯৮],

(জ) নদী --> ১৪ টি [০৬/০৮/৪৪/১১৮/১৭৬/২২৩/৩১০/৩৩৯/৩৪৪/৩৪৮/৩৫০/৩৭১/৩৭৭/৩৮৮ ]

অর্থাৎ, (ক) থেকে (জ) --- এই আটটি বিভাগে মোট = ১৯+৬১+১৩৩+৫+২২+৮২+৬৫+১৪ = ৪০১ টি গান ; যেখানে প্রতি বিভাগে তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে সংখ্যাগুলি হল, মূল পান্ডুলিপি 'কুমকুম'-এ প্রদত্ত ধারাবাহিক গান সংখ্যা।

প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, প্রিয় সম্পাদিকার সাথে আলোচনা ক্রমে, 'প্রকৃতি ও প্রেম' নামক বিষয়ের গানগুলো [ (খ) বিভাগ - ৬১ টি গান ] ধাপে ধাপে প্রকাশিত হবে 'বর্ণে বর্ণে'-র "প্রকৃতি-প্রেমে" বিভাগে ; আর বাকি সাতটি বিভাগের গানগুলোকে আমি বিভাগ উল্লেখ করে ধারাবাহিকভাবে এখানে 'মলিলাঞ্জলী'-তে প্রকাশ করবো। সেক্ষেত্রে আমি এই 'মলিনাঞ্জলী'-তে গানের ক্রমিক সংখ্যা --- { অ/আ/ই --> প্রথম পঙ্ক্তি } আকারে দেওয়ার বাসনা রাখি ; যেখানে 'অ' --> বিভাগের নাম ( ক, গ -- জ ), 'আ' --> মূল পান্ডুলিপি 'কুমকুম'-এ বাবাইয়ার দেওয়া গানসংখ্যা এবং 'ই' --> এখানে 'মলিনাঞ্জলী'-র ধারাবাহিক গান সংখ্যা। উদাহরণ স্বরূপ [ ক/১/১ --> 'মা অভয়া দেখো আমায় --' ] নির্দেশিত গানটি শ্যামাসংগীত (ক) বিভাগে পান্ডুলিপি 'কুমকুম'-এর প্রথম (১) এবং এখানে 'মলিনাঞ্জলী'-তে সংকলিত প্রথম (১) গান। আসলে কোন একটি নির্দিষ্ট গানকে খুঁজে পেতে, তার নামকরণ হিসেবে এবং ভবিষ্যতে 'মলিনাঞ্জলী'-কে গ্রন্থ রূপে প্রকাশের সুবিধার্থে আমার এহেন ক্রমিক সংখ্যা নির্বাচন।

প্রথম পর্বে এখানে আমি (ক) শ্যামাসঙ্গীত বিভাগের ৪ টি, (গ) বিরহ বিভাগের ৪ টি, (ঘ) বিরহিনি রাধা বিভাগের ৫ টি, (ঙ) কৃষ্ণ-প্রেম বিভাগের ৪ টি, (চ) প্রেম বিভাগের ৪ টি, (ছ) বিচিত্র বিভাগের ৫ টি এবং (জ) নদী বিভাগের ৪ টি গান অর্থাৎ মোট ৩০ টি গান সংকলিত করলাম।

পরিশেষে বলি, আমার এই অর্ধশতাব্দোত্তর জীবনে কিছুই করতে পারিনি আমার মা-বাবার জন্য। আজ 'বর্ণে বর্ণে' -র সৌজন্যে প্রকাশিতব্য 'মলিনাঞ্জলী' উৎসর্গ করতে চলেছি [ "আমার পরম গুরু তথা চিরসখি, নবতিপর, রোগক্লিষ্ট - মৃত্যুপথযাত্রী - শয্যাশায়ী আমার মা" --- এই অংশটি আগে লিখেছিলাম] আমার সদ্য প্রয়াতা মা, ৺অঞ্জলী মুখার্জির শ্রীচরণ কমলে ! আরও একবার মাননীয়া সম্পাদিকা, শ্রীমতি অনিন্দিতা গুড়িয়া মহাশয়াকে সকৃতজ্ঞ স্নেহ নিবেদন পূর্বক, আপনাদের সুচিন্তিত মতামত ও সমালোচনাগ্রহী হয়ে রইলাম।

চারুলেখা বসু রয়,

কলকাতা

নমস্কার, আমি বইপ্রেমি চারু, প্রথমে ধন্যবাদ জানাই পাঠকের মতামত বিভাগে আমার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য। গতবারের মতো এবারের পত্রিকার মান ও আরো অনেক বেশি সুন্দর এবং ভালো হয়েছে। পত্রিকাটি পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলাম, পত্রিকার লিংকটি সময় মতন আমার কাছে পৌঁছায় এবং আমি পত্রিকাটি আদ্য প্রান্ত পড়ে ফেলেছি। ভালো লেগেছে পত্রিকাটি। আবারও একবার ধন্যবাদ জানাবো পত্রিকার সম্পাদিকা অনিন্দিতা গুড়িয়া মহাশয়া, কে এত সুন্দর একটি পত্রিকা আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য। আবার তাকিয়ে আছি পূজা সংখ্যার দিকে।
এবার আসা যাক পত্রিকার কনটেন্টগুলোতে, প্রথমেই বলব কচিকাঁচার লেখাগুলির কথা। কচিকাঁচাদের লেখার প্রতিটা কবিতাই খুব সুন্দর ছড়া কবিতা, মনে দাগ কেটেছে। তার পাশাপাশি একটি বাড়তি পাওনা মজাদার ডিটেকটিভ গল্প। আমার ছেলেকে গল্পটি পড়ে শুনিয়েছি তার ভীষণ ভালো লেগেছে।
কাব্য মেলায় প্রতিটা কবিতা ভীষণ সুন্দর। আষাঢ় মনোহারা কবিতা দুটি খুবই সুন্দর, কৌশিক সেনের কবিতা পাকা হাতের লেখা, যথেষ্ট পরিপক্ক লেখা। মন ছুঁয়ে গেল কুমার আশীষের কবিতা, মন ছুঁয়ে গেল ছোট্ট পরিসরে ঝুম্পা মন্ডলের লেখা অপূর্ব। তবে চোখে জল এনেছে যে কবিতা সেটি হল স্বর্ণেন্দু সাহুর মিড ডে মিল কবিতাটি, সত্যিই তাই আজও আমাদের দেশের এমন অনেক বাচ্চা আছে যারা কেবলমাত্র মিড ডে মিলের কথা মাথায় রেখে স্কুলে আসে। রবি ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে লেখা কবিতা দুটি ও বেশ সুন্দর। বৃক্ষরোপণের উপর লেখাটিও বেশ প্রাসঙ্গিক, কাজল মৈত্রের লেখাও ভালো লাগলো।
তবে এবারে সবথেকে ভালো লেগেছে খাই খাই পর্বটি, নানান রকমের ব্যাঞ্জনে পরিপূর্ণ এই পর্বটি বেশ সুন্দর। আর ভালো লেগেছে আপনাদের নতুন সংযোজন ছবি ঘর। অপূর্ব সুন্দর সব ছবিতে ভরা এই ছবি ঘর প্রতিটা তুলির আঁচড় যেন জানিয়ে দেয় একটি গল্প। শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ী অনবদ্য। এছাড়াও অরুন্ধতী পুরকাইত কৃতিকা মাখাল আত্মদীপ মন্ডল প্রত্যেকের আঁকা যেন এক একটি কাহিনী। ভগবান রামচন্দ্রের রঙ্গলি টা দেখে বিশ্বাসই হচ্ছে না যে এটি গুঁড়ো রং দিয়ে তৈরি!
প্রতিটা গল্প ভীষণ সুন্দর, মন ছুয়ে যাওয়ার মত। সর্বোপরি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রচ্ছদটি খুবই নজর কাড়া। ধারাবাহিকির দিকে তাকিয়ে রইলাম। আবারো একবার পত্রিকাটির জয়যাত্রা কামনা করি।
নমস্কারান্তে চারুলেখা বসু রয়, কলকাতা

মানস ভট্টাচার্য,

উত্তর প্রদেশ

প্রথম সংখ্যার মত আপনাদের দ্বিতীয় সংখ্যাটি ও খুবই সুন্দর। তারউপর নতুন সংযোজন ছবি ঘর আমাকে রীতিমতো আপ্লুত করেছে। অনেক সুন্দর সুন্দর ছবির সম্ভারে সমৃদ্ধ ছবি ঘরটি। এবারের গল্পগুলোর প্রত্যেক টি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। কবিতাগুলো খুব ভালো। ভ্রমণ কাহিনী তো অনেক সুন্দর। আপনাদের খাই খাই বিভাগ থেকে শিখে নিয়ে শরবত এ আম্ বাহার বাড়িতে বানালাম একদিন, সত্যিই স্বাদ অনবদ্য হয়েছিল। ধন্যবাদ জানাই ওয়েব মাস্টারকে, যিনি এত সুন্দর করে সবকিছুকে পরিপাটি করে তৈরি করেছেন। ধন্যবাদ জানাবো সম্পাদিকা মহাশয় কে। পত্রিকাটির উত্তরোত্তর শ্রী বৃদ্ধি কামনা করি। ধন্যবাদান্তে
মানস ভট্টাচার্য, বেনারস, উত্তর প্রদেশ

সমীর সাহা,

দত্তপুকুর উত্তর চব্বিশ পরগনা

খুব সুন্দর উপস্থাপনা। পত্রিকাটির নামের মধ্যেই ছড়িয়ে আছে বৈচিত্রের পরশ। এবং পত্রিকার প্রতিটা পরতে পরতে, প্রতিটা বিভাগে, আলাদা আলাদা চমক। একসাথে এত রকমের লেখা পড়ার একটা সুন্দর ব্যবস্থাপনা। আমরা যারা পড়তে ভালোবাসি এবং বিভিন্ন আঙ্গিকে লেখা পছন্দ করি তাদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উপযোগী পত্রিকা। ধন্যবাদ 🙏 সমীর সাহা, দত্তপুকুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা

সৃজিতা দত্ত বণিক,

গৌহাটি আসাম

ভীষণ সুন্দর একটি প্রয়াস, প্রতিটা লেখাই খুব সুন্দর। কোনটা ছেড়ে কোনটার কথা বলি, প্রতিটা বিভাগ ঝকঝকে সুন্দর। প্রচ্ছদটি চোখে পড়ার মতো। লেখার সাথে ছবির ব্যবহার লেখাটিকে একটি অন্য মাত্রা প্রদান করেছে এবং আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবি ঘরের প্রতিটা ছবি যেন একেকটি গল্প শোনায়, শিল্পী তার মনের মাধুরী তার রঙ তুলী পেন্সিলের মধ্যে সাজিয়ে পরিস্ফুট করেছেন আমাদের সামনে। ধন্যবাদ সম্পাদিকাকে এত সুন্দর একটি পত্রিকা আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য। এ যেন পুজোর ডালির অর্ঘ্য কুসুম, নানা রঙের ফুল ফল পল্লব দ্বারা সজ্জিত। সৃজিতা দত্ত বণিক, গৌহাটি আসাম

অঞ্জনা কুন্ডু দত্ত,,

গড়িয়া, কলকাতা

আমার লেখা গুলো পড়ে দারুণ ভালো লাগলো। আমিও এই whatsapp নম্বরে যোগাযোগ করে লেখা দিতে চাই।

সৌমেন ভট্টাচার্য,

চুঁচুড়া, হুগলী, পঃবঃ

সত্যি ই অভিনব উদ্যোগ, 💐💐💐💐💐 আপনাদের এই ঐকান্তিক প্রয়াস প্রশংসার দাবি রাখে। 👌👌👌👌👌 আগামীতে আরো নতুন নতুন উপস্থাপনা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।😊😊😊😊😊

স্বরনালি কুন্ডু,

অজানা

পত্রিকাটি পড়লাম খুবই ভালো লাগলো। গল্প কবিতা খাওয়া-দাওয়া আরো নানারকম সম্ভারে সজ্জিত পত্রিকাটি খুবই সুন্দর। এগিয়ে চলুক আপনাদের পত্রিকা, অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

দেবব্রত সরকার,

অজানা

দারুন 👍👍

সচ্চিদানন্দ বণিক,

চন্দননগর হুগলি

পত্রিকাটি নতুন হলেও খুব সুন্দর পড়ে মনেই হচ্ছে না যে একেবারে নতুন পত্রিকা, মনে হচ্ছে অনেক বছর ধরে পত্রিকাটি প্রকাশিত হচ্ছে। পত্রিকাটি ছাপা পত্রিকার থেকে কোন অংশে কম যায় না। আমার মনে হয় আজকাল ছাপা পত্রিকা কিনে পড়ার থেকে ই পত্রিকা পড়তে মানুষ বেশি আগ্রহী। প্রতিটা বিভাগের প্রতিটা লেখা খুব খুঁটিয়ে পড়লাম, দুই একটা ছাড়া বাকি সব লেখাগুলোই খুব ভালো লেগেছে। নির্ভুল বানান এবং দাড়ি কমার যথোপযুক্ত ব্যবহারে পত্রিকাকে অনেক বেশি উন্নত করেছে। তবে প্রতিটি লেখার সাথে একটি অন্তত রঙিন ছবি থাকা বাঞ্ছনীয় বলে আমার মনে হয়। বিশেষ করে ছোটদের পাতায় ছবিটা খুবই দরকার, তবেই ছোটরা বেশি আকর্ষণীয় বোধ করবে। পত্রিকাটির নামকরণে এবং হেডলাইনে সম্পাদিকা বিশেষ মুন্সিয়ানা প্রদর্শন করেছেন। সম্পাদিকা মহাশয়ের কাছে আমার অনুরোধ অনেক ই-পত্রিকাতে শোনার ব্যবস্থা আছে, আপনাদের পত্রিকাতেও যদি সেই রকম ভাবে গল্প কবিতা পাঠ করে ভিডিও অথবা অডিও আপলোড করেন তাহলে আমার মনে হয় আরো অনেক বেশি মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করবেন আপনাদের পত্রিকা পড়ার শোনার এবং জানার জন্য। নমস্কারান্তে সচ্চিদানন্দ বণিক,চন্দননগর হুগলি

চারুলেখা বসু রয়,

কলকাতা

নমস্কার আমি বইপ্রেমী চারু। প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই সম্পাদিকা মহাশয়াকে এবং সহ-সম্পাদকগণকে, এত সুন্দর একটি পত্রিকা আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া এই বাংলা ই পত্রিকার লিংকে গিয়ে আমি পত্রিকাটি পাঠ করার সুযোগ পাই। যেহেতু আমি একজন বইপ্রেমী তাই যা কিছু পাই সেটা মুদ্রিত হোক বা মিডিয়াভিত্তিক হোক আমি সাগ্রহে পড়ে থাকি। পড়তে গিয়ে দেখলাম পত্রিকাটি একেবারেই নূতন, কিন্তু সেই তুলনায় অনেক বেশি গোছানো এবং পরিপাটি। ক্লিক করার সাথে সাথেই লিংকটা খুলে যাচ্ছে অনায়াসে। প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে আলাদা আলাদা বিভাগে আলাদা আলাদা স্বাদের লেখা আমাকে রীতিমতো অভিভূত করেছে। কোন নামিদামি পুরানো বড় পত্রিকার মতো এই নবাঙ্কুর ক্ষুদ্র পত্রিকাটিতেও সবকিছুই সুন্দরভাবে পরিবেশন করা হয়েছে। প্রতিটা জায়গায় রুচির ছাপ স্পষ্ট। আমার মতে একটি পত্রিকার 'সম্পাদকের কলম'-এ পত্রিকাটির রুচি এবং মান অনেকাংশেই প্রকাশিত হয়। সেজন্য প্রথমেই আমি সম্পাদকের কলমটা পড়লাম (তবে শুধু এই পত্রিকাতেইয নয় সম্পাদকীয় এবং সূচিপত্র পড়ার পরেই আমি ঠিক করি পুরো পত্রিকাটি পড়বো কি পড়বো না) এবং পড়ে যার পর নাই অবাক হয়ে গেলাম, যেখানে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মানুষ সমালোচনা থেকে শত হস্ত দূরে থাকে সেখানে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি শিশু পত্রিকা পাঠকদেরকে ডেকে বলছে মতামত জ্ঞাপন এবং সমালোচনা করার জন্য! মনের মধ্যে একরাশ উৎসুকতা নিয়ে আমি পত্রিকাটির মেইন কন্টেন্টে উপস্থিত হলাম। তারপরেই একে একে চমকের পালা। কিছু নতুন লেখক লেখীকাদের পাশাপাশি বেশ কিছু নামি কবি সাহিত্যিকের লেখা পেলাম এই পত্রিকায় বর্তমান সময়ে যাদের লেখা প্রায়শই অনেক পত্রপত্রিকায় এবং বইমেলার বইয়ে চোখে পড়ছে। প্রতিটা লেখার মানও বেশ ভালো, পাঠক কে ধরে রাখতে সক্ষম। তবে সমালোচনা করার মতন জ্ঞানের পরিধি আমার নয় তাই বেশি কথা না লিখে তাকিয়ে থাকবো পরের সংখ্যায় এমনই চমকের জন্য। সর্বোপরি ধন্যবাদ জানাই ওয়েব মাস্টারকে যিনি তার কাজটি খুবই সুচারু রূপে সম্পন্ন করেছেন। উত্তরোত্তর পত্রিকাটির শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি। নমস্কারান্তে- চারুলেখা বসু রয়, কলকাতা

মানস ভট্টাচার্য,

উত্তর প্রদেশ

আমি কোন সমালোচক নই, তবে পত্রিকাটির মান বেশ ভালো। প্রচ্ছদটিও খুব সুন্দর, প্রতিটা কবিতা এবং গল্প খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র পরিসরে উজ্জ্বল দাসের গল্পটা বেশ সুন্দর। সহজ সরল সাবলীল লেখনীতে কুমার আশীষ রায়ের কবিতা অনিন্দিতা গুড়িয়ার কবিতা কৌশিক সেনের কবিতা আমার খুব ভালো লেগেছে। ছোটদের পাতার প্রতিটা লেখাই খুব সুন্দর, একেবারে ছোটদের জন্যই উপযুক্ত। অদিতি মন্ডলের ভ্রমণ বৃত্তান্ত পড়তে পড়তে আমার নিজের জীবনের প্রথম ইউ এস যাওয়ার অভিজ্ঞতার কথাই মনে পড়ছিল। প্রকৃতি প্রেমে ডঃ তমাল মন্ডল এর তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি বেশ ভালো তবে কিছু কিছু জায়গায় ভাষাটা আমার ঠিক লাগেনি। ভাষাটা আরেকটু গুছানো হলে আমার মনে হয় আরো ভালো হতো। অবিস্মরণীয় রাজা রামমোহন রায়কে নিয়ে লেখা প্রবন্ধটা খুবই নান্দনিক এবং সুস্মিতা ভান্ডারী করের লেখা প্রবন্ধটিও খুবই প্রাসঙ্গিক। রান্নাবান্নার বিভাগে প্রতিটা রান্নাই পড়ছি আর আমার মুখ থেকে রীতিমতো নাল ঝরছে। স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং জানা-অজানা বিভাগ দুটিও খুবই কাজের লেখায় সমৃদ্ধ। তবে ঝুম্পা মন্ডলের লেখা আমাকে নিরাশ করেছে, এর আগে ও বহু বার লেখিকা ঝুম্পা মন্ডলের অনেক লেখা আমি পড়েছি। অপূর্ব তার লেখনী, কিন্তু এই গল্পটির মান অতটাও ভালো নয় বলে আমার মনে হয়েছে। অবশ্য যারা বড় মাপের লেখক লেখিকা তারা নতুন পত্রিকাতে সহযে ভালো লেখা দেন না। নতুন লেখক লেখিকাদের লেখাও ভালো, তবে লেখার প্রতি যত্নশীল হলে আরো ভালো হয়। আজকের প্রজন্ম লেখা বিমুখ, তাই দু-একজন যারা লিখছেন তাদের লেখা যদি আমাদের কাছে পর্যন্ত পৌঁছে না যায় তবে তো তারা চিরকালই নতুনই থেকে যাবেন, পুরনো কখনোই হবেন না এবং অভিজ্ঞতাও সঞ্চয় করতে পারবেন না। আর আমার মনে হয় লেখার ইচ্ছেটা ও চলে যাবে আর তখনই আমাদের মতন দু একজন পাঠক থাকলেও লেখক লেখিকা থাকবেন না। সবচেয়ে বড় কথা পত্রিকাটি পড়ার জন্য লিংকে গিয়ে খুলতে কোন কষ্টই হলো না। এমন অনেক লিংক আমরা প্রায়ই পাই যেগুলো খুলতে গিয়েই বিরক্তিতে মন ভরে ওঠে সহজে খুলতেই চায়না প্রায়। ধন্যবাদ জানাই সম্পাদক সম্পাদিকা গনকে, দিনে দিনে পত্রিকাটি উন্নত হোক এবং সারা বিশ্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলুক এই কামনাই করিকরি। ধন্যবাদান্তে মানস ভট্টাচার্য, উত্তর প্রদেশ

সুস্মিতা ভান্ডারী কর,

পূর্ব মেদিনীপুর

প্রথমেই জানাবো এই বর্ণে বর্ণে পত্রিকার সকল সদস্য ও উদ্যোগতাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা উদ্যোগ শুরু করার জন্য। এই উপস্থাপনার সাথে নিজেকে যুক্ত করতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। আমি চাই আমার মতো আরো নতুন নতুন লেখক ও লেখিকারা সকলেই যুক্ত হন। নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করার মধ্যে যে আনন্দ এতে আছে তা ভাষায় প্রকাশ করা খুবই কঠিন। সত্যি আমি কোনোদিন ভাবতে পারিনি যে এইভাবে সকলের কাছে পৌঁছে যাবো গল্পে গানে কবিতার পাতায় পাতায়।

অমিতাভ লাহিড়ী,

মুর্শিদাবাদ

ত্রৈমাসিক পত্রিকা 'বর্ণে বর্ণে' এর জন্য আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল। এই পত্রিকার বর্ণে বর্ণে খোদিত হউক সকলের মনের আবেগ অনুভুতি আর সাথে মিশে যাক রঙিন স্বপ্নের আবির রাঙানো ইচ্ছে গুলো। ঐকান্তিক ভাবে এই পত্রিকার ভুয়সী সাফল্য কামনা করি। 😊❤️❤️❤️🌹🌹🌹🙏🙏

স্বাতি দাস,

পুনা, মহারাষ্ট্র

বেশ সুন্দর ছিমছাম পরিবেশন। বিভাগগুলি চোখে পড়ার মতো। পড়লাম বেশ কিছুটা, তবে সবটা পড়া হয়নি। তাও যতটা পড়েছি বেশ লাগলো। কন্টাই নিয়ে লেখা কবিতাতে সেকাল আর একালের ব্যবধান সত্যি চোখে পড়ে। এককালে আমিও কন্টাই এর বাসিন্দা ছিলাম যদিও এখন পাকাপাকিভাবে পুনাতে বসবাস করি তবুও বছরে দু বছরে যখনই কন্টাই তে আসি ছোটবেলার ফেলে আসা সেই কন্টাই এর সাথে কোন সামঞ্জস্য খুজে পাই না। দৈনন্দিন জীবনে যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম সেটা কবি তার যোগ আশ্রম কবিতাতে খুব ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। যে দু-একটা গল্প পরেছি বেশ ভালই লেগেছে তবে ধারাবাহিক গল্পটার বাকি অংশের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। স্বাতি দাস, পুনা, মহারাষ্ট্র

রত্না পাল,

রাঁচি ঝাড়খন্ড

পত্রিকাটি পড়লাম খুব ভালো লাগলো সবগুলো বিভাগই খুব সুন্দর। খুবই সাজানো গোছানো সুন্দর পরিবেশনের সুন্দর একটি পত্রিকা। প্রতিটা বিষয় আলাদা আলাদা করে সাজানো এটি আমার সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। পত্রিকাটির জয়যাত্রা কামনা করি ধন্যবাদান্তে রত্না পাল, রাঁচি ঝাড়খন্ড

অনসূয়া কোটাল,

উজ্জয়নী, মধ্যপ্রদেশ

পত্রিকাটি খুবই ভালো লাগছে, একটা সুন্দর প্রচেষ্টা ঘুমিয়ে থাকা পুষ্প গুলোকে প্রস্ফুটিত করার। এইভাবে এগিয়ে যান আমরা সবাই আছি আপনার সাথে। আপনার জয় হবেই হবে। নমস্কারান্তে অনসূয়া কোটাল, উজ্জয়নী, মধ্যপ্রদেশ

বাপ্পাদিত্য,

নতুন দিল্লি

আমি একজন খাদ্য রসিক মানুষ। বেশি পড়া পড়িতে আমার মাথা ধরে যায়। মেয়ে দু-একটি যা পড়ে শুনিয়েছে ভালই লেগেছে। তবে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে খাবারের রেসিপিগুলো। ছবিতে যা দেখলাম আহা সামনে যদি পেতাম কতই না ভালো হতো। লেখক লেখিকারা কি শুধু খাবারের ছবি পাঠিয়ে ক্ষান্ত থাকবেন নাকি কখনো খাবার গুলো টেস্ট করার সুযোগ দেবেন বুঝতে পারছি না। যদি এমন হয় খাবারের রেসিপি এবং ছবির সাথে সাথে খাবারগুলো টেস্ট করা যেত তবে বেশ হতো। এ ব্যাপারে সম্পাদিকা নিজের মতামত জানাবেন আশা করি 😀😀 নমস্কার বাপ্পাদিত্য নতুন দিল্লি

কৌশিক সেন,

নতুন দিল্লি

পত্রিকার ওয়েব ডিজাইন খুব খুব উচ্চমানের। অনেক প্রথিতযশা ই ম্যাগাজিন কে হার মানিয়ে দেয়। হ্যাটস অফ টু অর্ঘ্যদীপ! দূর্দান্ত কাজ করেছে ও।

অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়,

নয়ডা

পত্রিকার ওয়েব ডিজাইন ভালো লাগছে